পৃষ্ঠাসমূহ

রবিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                   বগুড়া জেলার বিখ্যাত ভাসু বিহার


স্থানীয়ভাবে নরপতির ধাপ নামে পরিচিত এ প্রত্নস্থলে ১৯৭৩-৭৪ সনে উৎখনন শুরু করা হয় এবং পরবর্তী দুই মৌসুম তা অব্যাহত থাকে দুটি মধ্যম আকৃতির সংঘারাম ও একটি মন্দিরের স্থাপতিক কাঠামোসহ প্রচুর পরিমান প্রত্নবস্তু উম্মোচিত হয়। অপেক্ষাকৃত ছোট সংঘারামটির আয়তন উত্তর-দক্ষিনে ৪৯ মিঃ ও পূর্ব পশ্চিমে ৪৬ মিঃ। এর চার বাহুতে ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য ২৬টি কক্ষ এবং কক্ষগুলোর সামনে চর্তুপার্শ্বে ঘোরানো বারান্দা এবং পূর্ববাহুর কেন্দ্রস্থলে প্রবেশ পথ রয়েছে। বৃহদায়তনের বিহারটির ভূমি পরিকল্পনা ও স্থাপত্য কৌশল প্রথমটির অনুরূপ পরিমাপ পূর্ব পশ্চিমে ৫৬মিঃ ও উত্তর-দক্ষিনে ৪৯ মিঃ। চার বাহুতে ৩০টি ভিক্ষু কক্ষ এবং দক্ষিণ বাহুর কেন্দ্রস্থলে প্রবেশ পথ অবস্থিত। বিহারের অদুরে উত্তরমুখী মন্দিরটির আয়তন উত্তর-দক্ষিণে ৩৮মিঃ এবং পূর্ব-পশ্চিমে ২৭মিঃ মন্দিরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে একটি বর্গাকার ম-প। এর চর্তুদিকে ধাপে ধাপে উন্নীত প্রদক্ষিণ পথ। প্রায় ৮০০ প্রত্নবস্তুর মধ্যে ব্রোঞ্জের ক্ষুদ্রাকৃতির মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক এবং পোড়ামাটির সিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এছাড়াও সংগৃহীত হয়েছে মূল্যবান পাথরের গুটিকা, লোহার পেরেক, মাটির গুটিকা, নকসাংকিত ইট, মাটির প্রদীপ ও অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যবহারের দ্রব্যাদি এবং প্রচুর মৃম্ময় পাথর টুকরা। এ সমস্ত বিভিন্ন ধরণের প্রত্নবস্তুর থেকে ভাসু বিহারের শেষ যুগের দশ/একাদশ শতক শিল্পকর্ম ও দৈনন্দিন যাত্রার একটি পরিচয় পাওয়া যায়। শিবগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত প্রাচীনতম বিহারের অংশ বিশেষ।

বাংলাদেশ থেকে অনেক পর্যটক আসে এই ভাসে বিহার দেখতে। 


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/






শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                     বগুড়া জেলার ঐতিহ্য

                  গোকুল মেধ (বেহুলার বাসরঘর):


বগুড়া শহর থেকে১০কিঃমিঃ উত্তরে এবং মহাস্থানগড় থেকে ২কিঃমিঃ দক্ষিণে গোকুল গ্রামের দক্ষিনপশ্চিম প্রান্তে যে স্মৃতিস্তপটি যুগযুগ ধরে অতীতের অসংখ্য ঘটনাবলীর নিদর্শন বুকে জড়িয়ে শির উঁচু করে দাড়িয়ে আছে ইহাই বেহুলার বাসর ঘর নামে পরিচিত।এ বাসর ঘর মেড় থেকে মেদ এবং বর্তমানে পুরার্কীতি নামে পরিচিত। তবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মতে আনুমানিক খৃস্টাব্দ সপ্তম শতাব্দি থেকে ১২০০ শতাব্দির মধ্যে এটানির্মিত। ইস্টক নির্মিত এ স্ত্তপটি পূর্ব পশ্চিমে অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ এবং ত্রিকোন বিশিষ্ট ১৭২ টি কক্ষ, অকল্পনীয় এ কক্ষগুলোর অসমতা এবং এলোমেলো বুনিয়াদ এর বোধগম্যতাকে আরো দুর্বোধ করে তুলেছে । বেহুলার কাহিনী সেনযুগের অনেক পূর্বেকার ঘটনা। বেহুলার বাসরঘর একটি অকল্পনীয় মনুমেন্ট। বর্তমান গবেষকদের মতে এমনুমেন্ট ৮০৯ থেকে ৮৪৭ খৃস্টাব্দে দেবপাল নির্মিত একটি বৈদ্যমঠ। এই স্হাপত্তিই বাসরঘর নয়। এই স্হাপত্তিটির পশ্চিমার্ধে আছে বাসর ঘরের প্রবাদ স্মৃতিচিহ্ন। পূর্বার্ধে রয়েছে ২৪ কোন বিশিষ্ট চৌবাচ্চাসদৃশ একটি বাথরুম। উক্ত বাথরুমের মধ্যেছিল ৮ ফুট গভীর একটিকুপ। কুপটিতে বেহুলা লক্ষিনদর মধুনিশি যাপনের পর কুপের ক্ষিতজলে স্নান করে তাতে শুদ্ধতা লাভ করতে সক্ষম হতেন।

এই জায়গা গুলো আমার নিজের চোখে দেখা এবং সেখান থেকেই এই তথ্য গুলো জেনেছিলাম যা আজ কাজে লাগছে।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/ 





বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব

 


                   বিখ্যাত খেড়ুয়া মসজিদ, শেরপুর:


 এটি সুলতানী ও মোগল আমলে নির্মিতএকটি ঐতিহাসিক মসজিদ।খেরুয়া মসজিদ বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন। মোগল-পূর্ব সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মোগল স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে নির্মিত এই মসজিদ। প্রায় ৪৩০ বছর ধরে টিকে থাকা এই মসজিদের অবস্থান বগুড়া শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে শেরপুর উপজেলা সদরের খোন্দকার টোলা মহল্লায়।মসজিদটি টিকে আছে চার কোণের প্রকাণ্ড আকারের মিনার আর চওড়া দেয়ালের কারণে। ইটে খোদাই করা নকশা ক্ষয়ে গেছে এবং চুন-সুরকির প্রলেপ ঝরে গেছে। চুন-সুরকি দিয়ে গাঁথা পাতলা লাল ইটের দেয়ালগুলো ১.৮১ মিটার চওড়া। তার ওপর ভর করেই ছাদের ওপর টিকে আছে খেরুয়া মসজিদের তিনটি গম্বুজ। খেরুয়া মসজিদ বাইরের দিক থেকে উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ১৭.২৭ মিটার, প্রস্থ ৭.৪২ মিটার। পূর্ব দেয়ালে তিনটি খিলান দরজা। মাঝেরটি আকারে বড়। উত্তর-দক্ষিণে একটি করে খিলান দরজা। কোনোটিতেই চৌকাঠ নেই। ফলে দরজার পাল্লা ছিল না। পূর্বের বড় দরজাটির নিচে কালো পাথরের পাটাতন। পূর্বের দরজা বরাবর পশ্চিমের দেয়ালের ভেতরের অংশে তিনটি মেহরাব। মেহরাবগুলোর ওপরের অংশ চমৎকার কারুকাজখচিত। মসজিদটির নিচের অংশে ভূমি পরিকল্পনা মোগল স্থাপত্যরীতির। ওপরের অংশ মোগল-পূর্ব সুলতানিরীতিতে। চার কোণে দেয়াল থেকে খানিকটা সামনে চারটি বিশাল মিনার। ছাদের ওপর তিনটি ৩.৭১ মিটার ব্যাসের অর্ধ গোলাকৃতির গম্বুজ। কার্নিশ ধনুকের মতো বাঁকা। তার তলায় সারিবদ্ধ খিলান আকৃতির প্যানেলের অলংকরণ। অত্যন্ত সুন্দর এর দেয়ালের গাঁথুনি। নান্দনিক বৈচিত্র্য আনা হয়েছে ইটের বিন্যাস ও খাড়া প্যানেল তৈরি করে। সামনের অংশের ইটে আছে ফুল-লতা-পাতা খোদাই করা নকশা। মিনার, গম্বুজ, নকশা ও ইটের বৈচিত্র্যময় গাঁথুনিতে পুরো স্থাপত্যটি অত্যন্ত নান্দনিক হয়ে উঠেছে। মসজিদের সামনে সবুজ ঘাসে ঢাকা আয়তাকার মাঠ। মসজিদের কিনার দিয়ে তাল, নারকেল, আম, কদমগাছের সারি। এক পাশে মৌসুমি ফুলের গাছও আছে। ইটের প্রাচীরের ওপর লোহার রেলিং দিয়ে পুরো চত্বর ঘেরা। মোট জায়গার পরিমাণ প্রায় ৫৯ শতাংশ। নামাজের সময় মুসল্লিরা ছাড়া সাধারণত কেউ ভেতরে প্রবেশ করে না। তাই প্রাঙ্গণটি নিরিবিলি এবং খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। গাছগাছালিঘেরা সবুজ পরিবেশে তিন গম্বুজওয়ালা প্রাচীন স্থাপত্যটিকে মনোরম দেখায়।


এই মসজিদে আমি কখনো যাইনি তবে ইচ্ছা আছে যাবো। পারলে আপনারাও একবার ঘুরে যাবেন।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                       মহাস্থানগড়, বগুড়া


মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরের সুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী। এ ধবংসাবশেষ বগুড়া জেলা শহরের ১৩ কিঃমিঃ উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরেঅবস্থিত। সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী পর্যায়ক্রমে মাটি ও ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে৫মিঃ উচু। বেস্টনী প্রাচীর ছাড়াও পূর্ব দিকে নদী ও অপর তিনদিকে গভীর পরিখা নগরীর অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন হতে জানা যায় যে, কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসক বর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল। দূর্গের বাইরে উত্তর , পশ্চিম , দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিম ৭/৮ কিলোমিটারের মধ্যে এখনও বিভিন্ন ধরণের বহু প্রাচীন নিদের্শন রয়েছে যা উপ-শহরের সাক্ষ্য বহন করে। উল্লেখ্য, বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।প্রখ্যাত বৃটিশ প্রত্নতত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ খৃষ্টাব্দে মহাস্থান গড়ের ধ্বংসাবশেষকে ফুয়েন সাঙ বর্ণিত পুন্ডু নগর হিসেবে সঠিক ভাবে সনাক্ত করে।


নিজের চোখে দেখে এবং সেখান থেকেই এই তথ্য গুলো জেনে নিয়ে রচনা লিখতে হয়েছিল ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের শিক্ষা সফরে ২০০৭ সালে। আজ এত বছর পর আবার লিখলাম।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব

                           রুমাল চুরি


ছোটবেলার একটা খেলা


রুমাল চুরি

খেলার উপকরণ একটি রুমাল।


ছোট্ট এক টুকরো কাপড় হলেও চলে। আট-দশজনের বড় দল হলে খেলতে মজা হয়।

খেলোয়াড়রা সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়ে হাত তুলবে। হাত তোলার সময় হাতের তালু বা পাতা যেকোনো একটি উপরের দিকে রাখতে হবে। যদি হাতের তালুর সংখ্যা বেশি থাকে, আর হাতের পাতার সংখ্যা কম থাকে, তাহলে যাদের যাদের সংখ্যা কম তারা একে একে সরে যাবে। এভাবে শেষ পর্যন্ত যে থাকবে, সে হবে চোর। কিন্তু শেষবারে যদি দু’জন থাকে। আর হাতের একই দিক দেখায়, তাহলে যারা একে একে সরে গেছে তাদের মধ্যে থেকে একজন এসে আবার হাত পাতবে। তিনজনের মধ্য থেকে একজন চোর নির্বাচিত হবে। এবার খেলা শুরু।


চোর বাদে দলের সবাই গোল হয়ে বসবে। চোর সবার পেছন দিয়ে রুমাল নিয়ে ঘুরতে থাকবে। ঘুরতে ঘুরতে এক সুযোগে রুমালটি গোল হয়ে বসা কোনো এক খেলোয়াড়ের পেছনে রেখে দেবে। চোর এরপর একবার ঘুরে আসার পর যার পেছনে রুমাল লুকিয়ে রাখা হয়েছে, সে যদি টের না পায়, তাহলে চোর তাকে কিল মারতে থাকবে। তখন সে-ই হবে নতুন চোর। আর পুরোনো চোর বসে পড়বে নতুন চোরের স্থানে। এভাবে পুনরায় খেলা শুরু হবে।

উল্লেখ্য, যদি রুমাল কারও পেছনে রেখে চোর ঘুরে আসার আগেই সে টের পেয়ে যায়, তবে রুমাল হাতে নিয়ে সে হবে নতুন চোর। আগের চোর খালি জায়গায় বসে পড়বে। এখানে আর নতুন চোরকে কিল দেবে না পুরনো চোর!


আগে তখন কারেন্ট চলে যেত চাঁদের রাতে তখন এই খেলা খুব খেলতাম সবাই।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/





শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                         সাত চাড়া বা টিপু খেলা


ছোটবেলায় ছেলেদের সাথে এই খেলা অনেক খেলেছি।এই খেলায় দুইটি দল থাকে। ভাঙা হাঁড়ি বা কলসির টুকরা কিংবা পাতলা ইট বা পাথরের সাতটি চাড়া ওপর নিচে স্তম্ভ আকারে সাজানো হয়। স্তম্ভের দশ বারো হাত সামনে থেকে দাগ দিয়ে একটি সীমানা দেওয়া থাকে। তার ওপাশ থেকে একটি টেনিস বল চাড়াগুলোকে লক্ষ্য করে ছুড়ে দেওয়া হয় যেন বলটি চাড়াগুলোকে আঘাত করে, কিন্তু একেবারে কম সংখ্যক চাড়া স্তম্ভচ্যূত হয়।

বল ছোঁড়ার জন্য তিন দান থাকে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের। কেউ সফল হলে তারা দ্রুততার সাথে আবার স্তম্ভটিকে সাজিয়ে তুলতে চেষ্টা করে আর বিপক্ষ দল বলটি কুড়িয়ে তাদের আঘাত করার চেষ্টা করে। স্তম্ভ পুনরায় গড়ে তুলতে পারলে সে দল এক পয়েন্ট পায়, আর বিপক্ষ দল যদি সব ঐ দলের সব খেলোয়াড়কে বল দিয়ে আঘাত করতে পারে, তবে তারা পয়েন্ট পায়। এভাবে পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে এবং শেষে যার পয়েন্ট বেশি হয় সেই দল জিতে যায়। ছোটবেলার এই খেলা গুলো সত্যিই অসাধারণ মজার ছিল।



https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/


শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                           বাঘছাগল খেলা


যখন প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম টিফিন সময় ছেলে মেয়ে সবাই মিলে স্কুলে এই বাঘছাগল খেলা খুব খেলতাম। খুব মজার একটা খেলা।

বাঘ ছাগল খেলায় প্রথমে মাটিতে দাগ কেটে বৃত্ত তৈরি করা হয়। এরপর দল থেকে একজনকে ‘বাঘ’ নির্বাচন করা হয়। দলের বাকি খেলোয়াড়রা ‘ছাগল’ হিসেবে বৃত্তের ভেতর অবস্থান করে। বাঘের কাজ হলো বৃত্তের বাইরে থেকে বৃত্তের ভেতর আক্রমণ করা এবং একটি ছাগল ছিনিয়ে নেওয়া।


বাঘ সুযোগ পেলেই একটি করে ছাগল খাবে। ছাগল কৌশলে বাঘের পেটে যাওয়ার পরিবর্তে তাকে বন্দি করার চেষ্টা চালাবে। এভাবে বাঘ একজন একজন করে নিয়ে তার দল ভারি করে। শেষ পর্যন্ত যে ছাগল বৃত্তের ভেতরে টিকে থাকতে পারে সে পরবর্তী দানের জন্য বাঘ নির্বাচিত হয়।


ছাগদলকে আক্রমণ করার সময় বাঘ বিভিন্ন রকম কৌশল অবলম্বন করে। কোন ছাগলকে আক্রমণ করলে ছাগদলের অন্য সদস্যরা তাকে টেনে ধরে রাখে। খেলা চলতে থাকে দুই পক্ষের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে। বাঘ প্রথমে কান্নাজড়ানো কণ্ঠে বলতে থাকে, ‘অ্যাঙ্গা অ্যাঙ্গা’। এরপর ছাগলরা সমস্বরে বলে, ‘কান্দো ক্যান?’ এভাবে কথোপকথনের মাঝেই বাঘ ছাগদলকে আক্রমণ করে।




Click here