পৃষ্ঠাসমূহ

রবিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                   বগুড়া জেলার বিখ্যাত ভাসু বিহার


স্থানীয়ভাবে নরপতির ধাপ নামে পরিচিত এ প্রত্নস্থলে ১৯৭৩-৭৪ সনে উৎখনন শুরু করা হয় এবং পরবর্তী দুই মৌসুম তা অব্যাহত থাকে দুটি মধ্যম আকৃতির সংঘারাম ও একটি মন্দিরের স্থাপতিক কাঠামোসহ প্রচুর পরিমান প্রত্নবস্তু উম্মোচিত হয়। অপেক্ষাকৃত ছোট সংঘারামটির আয়তন উত্তর-দক্ষিনে ৪৯ মিঃ ও পূর্ব পশ্চিমে ৪৬ মিঃ। এর চার বাহুতে ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য ২৬টি কক্ষ এবং কক্ষগুলোর সামনে চর্তুপার্শ্বে ঘোরানো বারান্দা এবং পূর্ববাহুর কেন্দ্রস্থলে প্রবেশ পথ রয়েছে। বৃহদায়তনের বিহারটির ভূমি পরিকল্পনা ও স্থাপত্য কৌশল প্রথমটির অনুরূপ পরিমাপ পূর্ব পশ্চিমে ৫৬মিঃ ও উত্তর-দক্ষিনে ৪৯ মিঃ। চার বাহুতে ৩০টি ভিক্ষু কক্ষ এবং দক্ষিণ বাহুর কেন্দ্রস্থলে প্রবেশ পথ অবস্থিত। বিহারের অদুরে উত্তরমুখী মন্দিরটির আয়তন উত্তর-দক্ষিণে ৩৮মিঃ এবং পূর্ব-পশ্চিমে ২৭মিঃ মন্দিরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে একটি বর্গাকার ম-প। এর চর্তুদিকে ধাপে ধাপে উন্নীত প্রদক্ষিণ পথ। প্রায় ৮০০ প্রত্নবস্তুর মধ্যে ব্রোঞ্জের ক্ষুদ্রাকৃতির মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক এবং পোড়ামাটির সিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এছাড়াও সংগৃহীত হয়েছে মূল্যবান পাথরের গুটিকা, লোহার পেরেক, মাটির গুটিকা, নকসাংকিত ইট, মাটির প্রদীপ ও অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যবহারের দ্রব্যাদি এবং প্রচুর মৃম্ময় পাথর টুকরা। এ সমস্ত বিভিন্ন ধরণের প্রত্নবস্তুর থেকে ভাসু বিহারের শেষ যুগের দশ/একাদশ শতক শিল্পকর্ম ও দৈনন্দিন যাত্রার একটি পরিচয় পাওয়া যায়। শিবগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত প্রাচীনতম বিহারের অংশ বিশেষ।

বাংলাদেশ থেকে অনেক পর্যটক আসে এই ভাসে বিহার দেখতে। 


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/






শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                     বগুড়া জেলার ঐতিহ্য

                  গোকুল মেধ (বেহুলার বাসরঘর):


বগুড়া শহর থেকে১০কিঃমিঃ উত্তরে এবং মহাস্থানগড় থেকে ২কিঃমিঃ দক্ষিণে গোকুল গ্রামের দক্ষিনপশ্চিম প্রান্তে যে স্মৃতিস্তপটি যুগযুগ ধরে অতীতের অসংখ্য ঘটনাবলীর নিদর্শন বুকে জড়িয়ে শির উঁচু করে দাড়িয়ে আছে ইহাই বেহুলার বাসর ঘর নামে পরিচিত।এ বাসর ঘর মেড় থেকে মেদ এবং বর্তমানে পুরার্কীতি নামে পরিচিত। তবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মতে আনুমানিক খৃস্টাব্দ সপ্তম শতাব্দি থেকে ১২০০ শতাব্দির মধ্যে এটানির্মিত। ইস্টক নির্মিত এ স্ত্তপটি পূর্ব পশ্চিমে অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ এবং ত্রিকোন বিশিষ্ট ১৭২ টি কক্ষ, অকল্পনীয় এ কক্ষগুলোর অসমতা এবং এলোমেলো বুনিয়াদ এর বোধগম্যতাকে আরো দুর্বোধ করে তুলেছে । বেহুলার কাহিনী সেনযুগের অনেক পূর্বেকার ঘটনা। বেহুলার বাসরঘর একটি অকল্পনীয় মনুমেন্ট। বর্তমান গবেষকদের মতে এমনুমেন্ট ৮০৯ থেকে ৮৪৭ খৃস্টাব্দে দেবপাল নির্মিত একটি বৈদ্যমঠ। এই স্হাপত্তিই বাসরঘর নয়। এই স্হাপত্তিটির পশ্চিমার্ধে আছে বাসর ঘরের প্রবাদ স্মৃতিচিহ্ন। পূর্বার্ধে রয়েছে ২৪ কোন বিশিষ্ট চৌবাচ্চাসদৃশ একটি বাথরুম। উক্ত বাথরুমের মধ্যেছিল ৮ ফুট গভীর একটিকুপ। কুপটিতে বেহুলা লক্ষিনদর মধুনিশি যাপনের পর কুপের ক্ষিতজলে স্নান করে তাতে শুদ্ধতা লাভ করতে সক্ষম হতেন।

এই জায়গা গুলো আমার নিজের চোখে দেখা এবং সেখান থেকেই এই তথ্য গুলো জেনেছিলাম যা আজ কাজে লাগছে।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/ 





বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব

 


                   বিখ্যাত খেড়ুয়া মসজিদ, শেরপুর:


 এটি সুলতানী ও মোগল আমলে নির্মিতএকটি ঐতিহাসিক মসজিদ।খেরুয়া মসজিদ বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন। মোগল-পূর্ব সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মোগল স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে নির্মিত এই মসজিদ। প্রায় ৪৩০ বছর ধরে টিকে থাকা এই মসজিদের অবস্থান বগুড়া শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে শেরপুর উপজেলা সদরের খোন্দকার টোলা মহল্লায়।মসজিদটি টিকে আছে চার কোণের প্রকাণ্ড আকারের মিনার আর চওড়া দেয়ালের কারণে। ইটে খোদাই করা নকশা ক্ষয়ে গেছে এবং চুন-সুরকির প্রলেপ ঝরে গেছে। চুন-সুরকি দিয়ে গাঁথা পাতলা লাল ইটের দেয়ালগুলো ১.৮১ মিটার চওড়া। তার ওপর ভর করেই ছাদের ওপর টিকে আছে খেরুয়া মসজিদের তিনটি গম্বুজ। খেরুয়া মসজিদ বাইরের দিক থেকে উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ১৭.২৭ মিটার, প্রস্থ ৭.৪২ মিটার। পূর্ব দেয়ালে তিনটি খিলান দরজা। মাঝেরটি আকারে বড়। উত্তর-দক্ষিণে একটি করে খিলান দরজা। কোনোটিতেই চৌকাঠ নেই। ফলে দরজার পাল্লা ছিল না। পূর্বের বড় দরজাটির নিচে কালো পাথরের পাটাতন। পূর্বের দরজা বরাবর পশ্চিমের দেয়ালের ভেতরের অংশে তিনটি মেহরাব। মেহরাবগুলোর ওপরের অংশ চমৎকার কারুকাজখচিত। মসজিদটির নিচের অংশে ভূমি পরিকল্পনা মোগল স্থাপত্যরীতির। ওপরের অংশ মোগল-পূর্ব সুলতানিরীতিতে। চার কোণে দেয়াল থেকে খানিকটা সামনে চারটি বিশাল মিনার। ছাদের ওপর তিনটি ৩.৭১ মিটার ব্যাসের অর্ধ গোলাকৃতির গম্বুজ। কার্নিশ ধনুকের মতো বাঁকা। তার তলায় সারিবদ্ধ খিলান আকৃতির প্যানেলের অলংকরণ। অত্যন্ত সুন্দর এর দেয়ালের গাঁথুনি। নান্দনিক বৈচিত্র্য আনা হয়েছে ইটের বিন্যাস ও খাড়া প্যানেল তৈরি করে। সামনের অংশের ইটে আছে ফুল-লতা-পাতা খোদাই করা নকশা। মিনার, গম্বুজ, নকশা ও ইটের বৈচিত্র্যময় গাঁথুনিতে পুরো স্থাপত্যটি অত্যন্ত নান্দনিক হয়ে উঠেছে। মসজিদের সামনে সবুজ ঘাসে ঢাকা আয়তাকার মাঠ। মসজিদের কিনার দিয়ে তাল, নারকেল, আম, কদমগাছের সারি। এক পাশে মৌসুমি ফুলের গাছও আছে। ইটের প্রাচীরের ওপর লোহার রেলিং দিয়ে পুরো চত্বর ঘেরা। মোট জায়গার পরিমাণ প্রায় ৫৯ শতাংশ। নামাজের সময় মুসল্লিরা ছাড়া সাধারণত কেউ ভেতরে প্রবেশ করে না। তাই প্রাঙ্গণটি নিরিবিলি এবং খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। গাছগাছালিঘেরা সবুজ পরিবেশে তিন গম্বুজওয়ালা প্রাচীন স্থাপত্যটিকে মনোরম দেখায়।


এই মসজিদে আমি কখনো যাইনি তবে ইচ্ছা আছে যাবো। পারলে আপনারাও একবার ঘুরে যাবেন।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                       মহাস্থানগড়, বগুড়া


মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরের সুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী। এ ধবংসাবশেষ বগুড়া জেলা শহরের ১৩ কিঃমিঃ উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরেঅবস্থিত। সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী পর্যায়ক্রমে মাটি ও ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে৫মিঃ উচু। বেস্টনী প্রাচীর ছাড়াও পূর্ব দিকে নদী ও অপর তিনদিকে গভীর পরিখা নগরীর অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন হতে জানা যায় যে, কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসক বর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল। দূর্গের বাইরে উত্তর , পশ্চিম , দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিম ৭/৮ কিলোমিটারের মধ্যে এখনও বিভিন্ন ধরণের বহু প্রাচীন নিদের্শন রয়েছে যা উপ-শহরের সাক্ষ্য বহন করে। উল্লেখ্য, বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।প্রখ্যাত বৃটিশ প্রত্নতত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ খৃষ্টাব্দে মহাস্থান গড়ের ধ্বংসাবশেষকে ফুয়েন সাঙ বর্ণিত পুন্ডু নগর হিসেবে সঠিক ভাবে সনাক্ত করে।


নিজের চোখে দেখে এবং সেখান থেকেই এই তথ্য গুলো জেনে নিয়ে রচনা লিখতে হয়েছিল ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের শিক্ষা সফরে ২০০৭ সালে। আজ এত বছর পর আবার লিখলাম।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব

                           রুমাল চুরি


ছোটবেলার একটা খেলা


রুমাল চুরি

খেলার উপকরণ একটি রুমাল।


ছোট্ট এক টুকরো কাপড় হলেও চলে। আট-দশজনের বড় দল হলে খেলতে মজা হয়।

খেলোয়াড়রা সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়ে হাত তুলবে। হাত তোলার সময় হাতের তালু বা পাতা যেকোনো একটি উপরের দিকে রাখতে হবে। যদি হাতের তালুর সংখ্যা বেশি থাকে, আর হাতের পাতার সংখ্যা কম থাকে, তাহলে যাদের যাদের সংখ্যা কম তারা একে একে সরে যাবে। এভাবে শেষ পর্যন্ত যে থাকবে, সে হবে চোর। কিন্তু শেষবারে যদি দু’জন থাকে। আর হাতের একই দিক দেখায়, তাহলে যারা একে একে সরে গেছে তাদের মধ্যে থেকে একজন এসে আবার হাত পাতবে। তিনজনের মধ্য থেকে একজন চোর নির্বাচিত হবে। এবার খেলা শুরু।


চোর বাদে দলের সবাই গোল হয়ে বসবে। চোর সবার পেছন দিয়ে রুমাল নিয়ে ঘুরতে থাকবে। ঘুরতে ঘুরতে এক সুযোগে রুমালটি গোল হয়ে বসা কোনো এক খেলোয়াড়ের পেছনে রেখে দেবে। চোর এরপর একবার ঘুরে আসার পর যার পেছনে রুমাল লুকিয়ে রাখা হয়েছে, সে যদি টের না পায়, তাহলে চোর তাকে কিল মারতে থাকবে। তখন সে-ই হবে নতুন চোর। আর পুরোনো চোর বসে পড়বে নতুন চোরের স্থানে। এভাবে পুনরায় খেলা শুরু হবে।

উল্লেখ্য, যদি রুমাল কারও পেছনে রেখে চোর ঘুরে আসার আগেই সে টের পেয়ে যায়, তবে রুমাল হাতে নিয়ে সে হবে নতুন চোর। আগের চোর খালি জায়গায় বসে পড়বে। এখানে আর নতুন চোরকে কিল দেবে না পুরনো চোর!


আগে তখন কারেন্ট চলে যেত চাঁদের রাতে তখন এই খেলা খুব খেলতাম সবাই।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/





শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                         সাত চাড়া বা টিপু খেলা


ছোটবেলায় ছেলেদের সাথে এই খেলা অনেক খেলেছি।এই খেলায় দুইটি দল থাকে। ভাঙা হাঁড়ি বা কলসির টুকরা কিংবা পাতলা ইট বা পাথরের সাতটি চাড়া ওপর নিচে স্তম্ভ আকারে সাজানো হয়। স্তম্ভের দশ বারো হাত সামনে থেকে দাগ দিয়ে একটি সীমানা দেওয়া থাকে। তার ওপাশ থেকে একটি টেনিস বল চাড়াগুলোকে লক্ষ্য করে ছুড়ে দেওয়া হয় যেন বলটি চাড়াগুলোকে আঘাত করে, কিন্তু একেবারে কম সংখ্যক চাড়া স্তম্ভচ্যূত হয়।

বল ছোঁড়ার জন্য তিন দান থাকে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের। কেউ সফল হলে তারা দ্রুততার সাথে আবার স্তম্ভটিকে সাজিয়ে তুলতে চেষ্টা করে আর বিপক্ষ দল বলটি কুড়িয়ে তাদের আঘাত করার চেষ্টা করে। স্তম্ভ পুনরায় গড়ে তুলতে পারলে সে দল এক পয়েন্ট পায়, আর বিপক্ষ দল যদি সব ঐ দলের সব খেলোয়াড়কে বল দিয়ে আঘাত করতে পারে, তবে তারা পয়েন্ট পায়। এভাবে পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে এবং শেষে যার পয়েন্ট বেশি হয় সেই দল জিতে যায়। ছোটবেলার এই খেলা গুলো সত্যিই অসাধারণ মজার ছিল।



https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/


শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                           বাঘছাগল খেলা


যখন প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম টিফিন সময় ছেলে মেয়ে সবাই মিলে স্কুলে এই বাঘছাগল খেলা খুব খেলতাম। খুব মজার একটা খেলা।

বাঘ ছাগল খেলায় প্রথমে মাটিতে দাগ কেটে বৃত্ত তৈরি করা হয়। এরপর দল থেকে একজনকে ‘বাঘ’ নির্বাচন করা হয়। দলের বাকি খেলোয়াড়রা ‘ছাগল’ হিসেবে বৃত্তের ভেতর অবস্থান করে। বাঘের কাজ হলো বৃত্তের বাইরে থেকে বৃত্তের ভেতর আক্রমণ করা এবং একটি ছাগল ছিনিয়ে নেওয়া।


বাঘ সুযোগ পেলেই একটি করে ছাগল খাবে। ছাগল কৌশলে বাঘের পেটে যাওয়ার পরিবর্তে তাকে বন্দি করার চেষ্টা চালাবে। এভাবে বাঘ একজন একজন করে নিয়ে তার দল ভারি করে। শেষ পর্যন্ত যে ছাগল বৃত্তের ভেতরে টিকে থাকতে পারে সে পরবর্তী দানের জন্য বাঘ নির্বাচিত হয়।


ছাগদলকে আক্রমণ করার সময় বাঘ বিভিন্ন রকম কৌশল অবলম্বন করে। কোন ছাগলকে আক্রমণ করলে ছাগদলের অন্য সদস্যরা তাকে টেনে ধরে রাখে। খেলা চলতে থাকে দুই পক্ষের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে। বাঘ প্রথমে কান্নাজড়ানো কণ্ঠে বলতে থাকে, ‘অ্যাঙ্গা অ্যাঙ্গা’। এরপর ছাগলরা সমস্বরে বলে, ‘কান্দো ক্যান?’ এভাবে কথোপকথনের মাঝেই বাঘ ছাগদলকে আক্রমণ করে।




বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব ৫



                               ডাংগুলি বা ফুত্তি পান্টি


ডাংগুলি খেলা বাংলাদেশের সব জায়গাতেই খুব জনপ্রিয়। দুই দলে ভাগ হয়ে এটি খেলতে হয়। সাধারণত কম বয়সী ছেলে আর কিশোরেরা ডাংগুলি খেলে থাকে। একটি দেড় হাত লম্বা লাঠি এবং এক বিঘত পরিমাণ লম্বা একটি কাঠি হলো খেলার উপকরণ। লম্বা লাঠিটিকে বলে ডান্ডা আর ছোটটিকে বলে গুলি বা ফুত্তি।


ডাংগুলি খোলা মাঠের খেলা। মাঠে ছোট্ট একটি লম্বালম্বি গর্ত করা হয়। টসের মাধ্যমে যারা দান পায়, তাদের একজন গর্তের উপর গুলি রেখে ডান্ডা মেরে তুলে সেটিকে পরের বাড়িতে দূরে ফেলার চেষ্টা করে। প্রতিপক্ষ তখন চারিদিকে ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে গুলিটি ধরে ফেলার জন্য। তারা গুলিটি মাটিতে পড়ার আগে ধরে ফেলতে পারলে ডান্ডা মারা খেলোয়ারটি আউট হয়। আর না ধরতে পারলে প্রথম খেলোয়াড়টি তার ডান্ডা গর্তের উপর রাখে এবং প্রতিপক্ষ গর্তের উপর রাখা ডান্ডা লক্ষ্য করে গুলিটি ছুঁড়ে মারে। গুলিটি ডান্ডা ছুঁলে সে দান হারায়, আর না ছুঁলে সে আবার গুলিটি ডান্ডা দিয়ে তুলে দূরে পাঠায়। পরে সে গুলি থেকে গর্ত পর্যন্ত ডান্ডা দিয়ে মাপতে থাকে।


আমি ছোট বেলায় একবার খেলতে গিয়েছিলাম আব্বা তখন খুব করে বকেছিল কারন এটা সাধারণত ছেলেরা খেলতো।তাই বকা খেয়েছিলাম এখনো মনে আছে।

https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/





মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                  গ্রামীন খেলা মোরগ লড়াই


গ্রামের অসাধারণ মজার একটা খেলা মোরগ লড়াই।ছেলেরাই বেশি খেলে থাকে তবে মেয়েরাও খেলে। আমি এই খেলায় একবার পুরস্কার পেয়েছিলাম প্রথম আলো বন্ধুসভার একটা আয়োজনে।তখন আমি অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়তাম। খুব মজার একটা খেলা।

মোরগ লড়াই খেলায় একদল ছেলে গোল হয়ে একপায়ে দাড়িয়ে থাকে। দুই হাত দিয়ে অপর পা পিছনে ভাজ করে রাখতে হয়। রেফারি যখন বাশিঁতে ফুঁ দেন তখনই খেলোয়াড়রা একে অপরকে ভাজ করা পা দিয়ে মারতে থাকে। কেউ পরে গেলে সে বাতিল বলে গণ্য হয়। এভাবে শেষ পর্যন্ত তিনজন থাকে। তাদের মধ্য থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় নির্ধারন করা হয়।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/






সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব ৩



                     গ্রামীন খেলা  দোকানপাট:


ছোটবেলায় আরেকটি মজার খেলা ছিল মুদি দোকান। লাঠি ও নারকেল কিংবা কলা গাছের পাতার ছাউনি দিয়ে বানানো হতো এ দোকান। বাবার কাছ থেকে চকলেট কেনার জমানো টাকায় পুঁজি ছিল এ ব্যবসার। পরে নানারকম মুদিপণ্য বন্ধুদের কাছে একটু বেশি দামে বিক্রি করাই ছিল এ খেলার মজা। আমাদের সময় মানে নব্ব‌ই দশকে এই খেলা টা গ্রামে খুব খেলা হতো।তখন চার আনি তবে একটা চকলেট পাওয়া যেতো।এক টাকায় চারটা।এক টাকায় ক্রিম বিস্কুট পাওয়া যেতো। এক টাকায় কেক পাওয়া যেতো। দুই টাকায় অনেক গুলো নিমকি পাওয়া যেতো। এগুলো দোকানে এনে খুব অল্প লাভে  বিক্রি করতাম।মে কয়জন টাকা ইনভেস্ট করতো তারা পরে ভাগ করে নিতাম।মুদি দোকানে হরেক রকম পন্য থাকতো।কি যে মজার খেলা ছিল। আবার যদি একবার ফিরে পাওয়া যেতো হারানো সেই শৈশব।



https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/



শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল



আজকে লিখবো আমাদের বগুড়া জেলার গ্রামবাংলার নব্ব‌ই দশকের বিয়ের গেট নিয়ে।

কলা গাছের গেইটি
আবহমান বাংলার লোকায়েত হারানো ঐতিহ্যসমুহের অন্যতম হলো কলাগাছের গেইট। গ্রামের বিয়ে বাড়ীতে পরম যত্নে কলাগাছ, বাঁশ ও রঙ্গীন কাগজ দিয়ে চমৎকার গেইট সাজানোর দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। অসাধারণ আগ্রহ ও কৌশলে রঙ্গীন কাগজ কেটে চমৎকার ঝালট ও বিভিন্ন প্রকার ফুল তৈরি করা হতো। আমি তখন হয়ত ক্লাস থ্রি তে পড়ি এক ফুফির বিয়েতে নিজের হাতে কলার গাছ কেটে সবাই মিলে মাটি গর্ত করে গাছটা পুঁতে দিয়েছিলাম।এরপর রঙিন কাগজ কেটে ভাতের আঠা দিয়ে দড়ির সাথে পেঁচিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত গেট তৈরি করেছিলাম।আর গেটের সামনে টেবিল রেখেছিলাম যাতে বর টাকা ছাড়া ভেতরে ঢুকতে না পারে।পরে সেই টাকা থেকে দশ টাকা ভাগে পেয়েছিলাম। খুব আনন্দের ছিল ঐ সময় গুলো। অনেকেই এই গেট নিজের চোখে দেখেনি।




শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১

                            শিক্ষনীয় গল্প


এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে একটি পানিহীন কুয়া দেখতে পেলেন।তিনি চোখ বন্ধ করে দিলেন ঝাঁপ। পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখেতা খপ করে ধরে ফেললেন। এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলেন।উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নিচে চেয়ে দেখলেন বিশাল এক সাপ তার নিচে নামার অপেক্ষায় চেয়ে আছে। বিপদের উপর আরো বিপদ হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর একটি কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে চাইছে। এমন হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন তিনি বুঝতে পারছিলেন না, তখন হঠাৎ তার সামনে কুয়ার সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক দেখতে পেলেন। তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে আঙ্গুল ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন। সেই মধুর মিষ্টতা এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু মুহূর্তেরজন্য উপরের গর্জনরত সিংহ, নিচের হাঁ করে থাকা সাপ, আর দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের কথা ভুলে গেলেন। ফলে তার বিপদ অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো। এই সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু, যে সর্বক্ষণ আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।সেই সাপটি হচ্ছে কবর। যা আমাদের অপেক্ষায় আছে। দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন, যাকে আশ্রয় করেই বেঁচে থাকা। সাদা ইঁদুর হল দিন, আর কালো ইঁদুর হল রাত, যারা প্রতিনিয়ত ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের আয়ু কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আর সেই মৌচাকহল দুনিয়া। যার সামান্য মিষ্টতা পরখ করে দেখতে গেলেও আমাদের এই চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের কথা ভুলে যাওয়াটা বাধ্য। তাই আমাদের সচেতন হওয়া জরুরী।

https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১

মানুষের রং

 

                          মানুষ সবসময় রং বদলায়


শুনেছি গিরগিটি প্রতিনিয়ত রং বদলায় যা কেবল শুনেছি কখনো প্রত্যক্ষ করিনি,,,..... মানুষের বদলোনো আমি প্রত্যক্ষ করেছি খুব করে..... কিনতু কেন....? কেন, মানুষ এত বদলায় কারনে- অকারনে...... মানুষের বদলানোটা সত্যিই অপ্রত্যাশিত সব সময়ই....... কেননা, যে মানুষটি আজ আপনার পাশে, যে দিয়েছে আপনাকে কিছু কথা, কিছু আশা, কিছু ভালবাসা দিয়েছে রাশি রাশি স্বপ্ন, যাকে পেয়ে আপনি ভাবছেন জীবন নামক বিস্তৃন পথটা অনায়সেই কাটানো যাবে, যার উপর আপনি রেখেছেন অগাধ ভরসা, অগাধ বিস্বাস, আর সেও বলেছে সে রয়েছে আপনার পাশে আমৃত্য কিনতু হুট করেই যদি কোন কারনে ঐ মাুষটি বদলে যায়.......?? ভাবছেন বদলাবে না..? ভুল, কারন প্রকৃতির নিয়ম মতে আর কিছুটা নিজের ভালোর জন্য সে বদলাবেই...... এ ক্ষেত্রে কিছু ব্যাতিক্রম আছে তাও হাতে গোনা.....

- একবার ভাবুন তো সে বদলাবে, আজকের যাকে আপনি দেখছেন, কালকে তার এমনই থাকার পসিবিলিটি খুবই নগন্য..... তার মানে সে বদলানোর পসিবিলিটি বেশি, আর তার বদলানো মানে কিছু হাসি, কিছু খুশি, কিছু আশা, কিছু স্বপ্ন এর মৃত্য, মৃত্য হবে আপনারও তবে তা অভ্যন্তরীণ যা কেউ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন না, শুরু না হতেই হবে সব শেষ...... কিনতু আজকের সেই চিরচেনা মানুষটি বদলাবে ঠিকই কিনতু বদলানোর আগে এত কিছু সে ভাববে না, জানবে না এত কিছুর মৃত্যুর কথা..... সে কিনতু প্রকৃতির নিয়ম মতই বদলে যাবে......... যেমনটা এখন প্রায়ই দেখা যায়......

- কিনতু কেন....? কেন, বদলায় আজকের চেনা মানুষটি, কেন কালকেই হয়ে যায় অচেনা.....? সে তো মানুষই, তার তো আছে বিবেক, আছে মন তবে কেন সে গিরগিটির মত রং বদলায়.........???

- মানুষ কেন বদলিয়ে নিজেকে নিচে নামাই আনে..... মানুষ কেন বদলে ভাল খোজে....

- প্রশ্ন তাই থেকেই যায়,, মানুষ কেন এত বদলায়,,, মানুষ কেন এত রং বদলায়....??


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/






সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১

   

একজন সফল উদ্দ্যোক্তাকে সবাই চেনে কিন্তু তার এই অবস্থানে আসার গল্পটা হয়তো কেউই জানে না।

অনেক পরিশ্রম আর ধৈর্যের ফল সরূপ আজকের এই অবস্থান।

সফলতা কখনো একদিনে আসে না।যে কোন কাজের সফল হওয়ার জন্য চাই সুষ্ঠু পরিকল্পনা।

ক্রেতাদের সাথে একটা ভরসার সম্পর্ক তৈরি করা একান্ত আবশ্যক। ক্রেতাদের সাথে কথা বলার সম সময় অনেক সুন্দর করে আপনার পন্য প্রেজেন্ট করতে হবে। রেগে গেলে চলবে না।




রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১

নিজের গুরুত্ব সবার আগে

          প্রথমে সবার আগে নিজেকে গুরুত্ব দিন


এই জীবনের যে ক্ষেত্রেই আপনি সফল হতে চান, আপনাকে নিজের যত্ন নিতে শিখতে হবে।যদি আপনি নিজেকে সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিতে না পারেন, তাহলে আপনি জীবনের ভারসাম্য খুঁজে পাবেন না।এক্ষেত্রে নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে।সফল হতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী জরুরী।এরপরই আসবে আপনার সবচাইতে কাছের মানুষেরা, মানে পরিবার ও ঘনিষ্ঠ মানুষেরা। তাদের জীবনের দৈনন্দিন খবরাখবর রাখুন। "যদিও হয়ত রোজ এ কাজটি করা কঠিন, তবু চেষ্টা করুন।"এর পর শুরু করুন নিজের কাজ।

🌺🌺🌺সবার সামনে এগিয়ে যান থামাবেন না🌺🌺🌺

                            একজন পর্বতারোহী যখন ওপরে উঠতে থাকেন, তিনি পিছলে পড়েন, দুই তিন ধাপ নিচে নেমে যান। কিন্তু ওপরে ওঠা থামান না তিনি।আমি সেরকম, পিছলে পড়ি কিন্তু ওপরে ওঠা থামাই না আমি, কোনদিন থামাবও না।"

মানুষ আমাকে মারতে পারবে, অত্যাচার চালাতে পারবে। কিন্তু আমার আত্মা আর এগিয়ে যাবার চেতনা কেউ শেষ করে দিতে পারবে না।

আসলেই সফল হওয়া সহজ কাজ নয়। নারী বা পুরুষ যেকোন মানুষের জন্যই কঠিন কাজ সেটি। একজন নারীর জন্য সেটা আরো কঠিন।

https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১

নিজেকে ভালবাসুন

 


জীবনে মাত্র একজনের কথায় অক্ষরে অক্ষরে শুনুন, যাতে কখনো ভুলে পরতে না হয়! আর সেই মানুষটা হলেন আপনি নিজে...

কেননা নিজের প্রতি আত্ববিশ্বাসই পারবে আপনাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে! অন্য কেউ নয়...

মানুষের কাজ সমালোচনা করা, আপনার পথ এগিয়ে দেয়া নয়, আপনাকে অনুপ্রেরনা দেয়া নয়! যদি কেউ সেটা করে, এটা তার মহানুভাবতা...

তাই নিজের ভাল নিজেকেই বুঝতে হবে।

শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১

লক্ষ্য ঠিক করতে হবে

                     লক্ষ্য ও পরিকল্পনা


 যারা সফল হয়েছেন, তাদের মধ্যে দু’টো কমন জিনিস দেখা যায় – এক, লক্ষ্য; দুই. পরিকল্পনা।

টাকা পাওয়ার পর তাঁরা লক্ষ্য ঠিক করেছেন, তাঁরা এই টাকাকে কোথায় কিভাবে কাজে লাগাবেন, এবং সেই কাজ করার জন্য একটি পরিকল্পনা করেছেন। জেসন ফ্রাই টাকা ওড়ানোর একটা পর্যায়ে বুঝতে পেরেছিলেন এভাবে টাকা ওড়াতে থাকলে একটা সময়ে ফতুর হয়ে যাবেন। তাঁকে এমন কিছু করতে হবে যাতে সারাজীবন ধরে এই টাকা থেকে তিনি লাভ পান, সেই কারণে তিনি বেশ কয়েকটি লাভজনক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছেন, এবং এখন বছরে মিলিয়ন ডলারের ওপরে আয় করছেন।

এই যে সাফল্য ও ব্যর্থতার ব্যাপার – এটা শুধু লটারী বিজেতাদের মধ্যেই দেখা যায় না। প্রতিটি ক্ষেত্রের সফল আর ব্যর্থ মানুষদের নিয়ে গবেষণা করলে একটি ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে ওঠে – সফল মানুষেরা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করে সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করে কাজ করেন।

জীবনের যে ক্ষেত্রেই আপনি বড় কিছু অর্জন করতে চান না কেন, লক্ষ্য ও পরিকল্পনা ছাড়া কোনওভাবেই তা সম্ভব নয়। এমনকি হঠা‌ৎ যদি কোনও অভাবনীয় সাফল্য হাতের মুঠোয় চলে আসে, তা ধরে রাখতেও পরিকল্পনা জরুরী। যে কোনও কাজে আপনি কেমন সাফল্য চান, এবং কিভাবে তা অর্জন করতে চান – তার একটা পরিস্কার ছবি আপনার মনে থাকতে হবে। গন্তব্য না থাকলে, সেখানে পৌঁছানো যায় না।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১

ডোমেইন

 আজকে জানবেন ব্র্যান্ড ডোমেইন কি, কত প্রকার এবং কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ!


ব্র্যান্ড ডোমেইন নেম কি-

কোনো অনলাইন বিজনেস পরিচালনা করতে একটি ওয়েবসাইটের দরকার হয়। ওয়েব ডেভলপারের সাহায্য নিয়ে বা আপনি নিজেই সুন্দর একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে এবং সাজাতে পারেন। কিন্তু ডোমেইন না থাকলে আপনার ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনে বা ব্রাউজারে সার্চ দিয়ে পাওয়া যাবে না।

সহজ করে বললে ডোমেইন হলো ওয়েবসাইটের ইউনিক নাম এবং একটি অ্যাড্রেস। আপনি আপনার কোম্পানি বা ব্র্যান্ডের প্রচারে নিজের একটি ওয়েবসাইট খুলে সেখানে নিজের অনলাইন বিজনেস শুরু করলেন, তখন আপনি আপনার ব্র্যান্ডের সাথে সম্পৃক্ত নাম দিয়ে যে ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করবেন তাই ব্র্যান্ড ডোমেইন নেম। 


মূলত মানুষ এটিই সার্চ ইঞ্জিনের টাইপ করে বা ব্রাউজারে লিখে ওই ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারে। প্রত্যেক ওয়েবসাইটের একটি আইপি থাকে, যে আইপি অ্যাড্রেস মনে রাখা সম্ভব হয় না। তাই সেই অ্যাড্রেস এর পরিবর্তে ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয়। 


একটি ডোমেইন সমগ্র বিশ্বে ঐ একটি নামেই চিহ্নিত হয়। আর কেউ সেই নামটি ব্যবহার করতে পারে না। অর্থাৎ একটি ডোমেইন এর জন্য একটি ইউনিক নাম এবং একটি আইপি বরাদ্দ থাকে।    

ব্র্যান্ড ডোমেইন নেম কেনো গুরুত্বপূর্ণ?

ডোমেইন কি বা এর সঙ্গা থেকেই আমরা কিছুটা হলেও ধারণা পাই ডোমেইন কেনো গুরুত্বপূর্ণ। ডোমেইন ব্যবহার করা হয় ওয়েবসাইট বা  ব্লগে। এক্ষেত্রে যদি আপনার সাইটের ডোমেইন না থাকে তবে আপনার সাইটটি খুঁজেই পাওয়া যাবে না। 


“ডোমেইন ছাড়া আপনি কি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন না? ” প্রশ্নের উত্তরে হবে, হ্যাঁ! অবশ্যই পারবেন। কিন্তু আপনার তৈরি করা ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে ভিজিটরদের আপনার ওয়েবসাইটের আইপি ব্রাউজারে সার্চ দিতে হবে।



https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/

রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২১

মোববাটিক

             🍀মোম বাটিক নিয়ে কিছু কথা🍀


বাটিক প্রিন্ট এর মধ্যে মোম বাটিক অনেক জনপ্রিয়। 

এই জনপ্রিয়তার পেছনেও কিছু কারণ আছে--

যেমন-- মোম বাটিক গুলো দেখতে অনেক আকর্ষণীয় হয়।ব্যাবহার করতেও অনেক আরামদায়ক। রং পাকা ও স্থায়ী হয়। মোম বাটিকের অনেক রকম ডিজাইন করা যায়।

এমনকি তুলি ব্যাবহার করেও মনের মাধুরি মিশিয়ে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করা যায়। 

এই সব কারণেই মোম বাটিকের চাহিদা বেশি হয়।


আবার, 


যাদের বাটিক সম্পর্কে ধরনা একটু কম, তারা মোম বাটিক তেমন বুঝবে না।

মোম বাটিকে মোম লাগিয়ে করা হয় এই জন্য কিছু কিছু জায়গায় মোম লেগে থাকতে পারে।এটা যেমন কোনো সমস্যা না।আবার যারা বোঝে না তাদের কাছে এটাই মনে হয় বড় সমস্যা। তারা মনে করে ময়লা লেগে আছে।কিন্তু না।

একসময় ধুতে ধুতে এই মোম চলে যায়। 


মোম বাটিকের কাপড় গুলো তৈরির সময় অনেক বেশি ওয়াশ করতে হয়। 

গরম পানিতে দিয়ে সিদ্ধ করতে হয়।

এইজন্য কাপড় গুলোর মাড় উঠে নরম হয়ে যায়। এটাই মোম বাটিকের বৈশিষ্ট্য। এটাই স্বাভাবিক ডিজাইন। 

কিন্তু 

অনেকে ভাবেন, এতো নরম কেনো? তাহলে কাপড় ভালো না। 

যারা এমন ভাবেন তাদের ধারণা ঠিক না।কাপড় অবশ্যই ভালো এবং এটাই স্বাভাবিক ডিজাইন।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/



শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১

বাটিক ফ্যাশন

              সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় ফ্যাশন 

আমার মনে আছে আজ থেকে ১০বছর আগে হাঁটুর উপর কামিজ পড়তাম ।ঐটা তখন স্টাইল ছিল সর্ট কামিজ পড়ার ।আর এখন লম্বা কামিজ পড়ার ট্রেন্ড ।একটু ছোট হলেই কেমন অস্বস্তি লাগে ।অথচ এক সময় ছোট ই পড়েছি ।   এই কথা গুলো মনে আসলো বাটিক নিয়ে লেখা তৈরী করতে গিয়ে ।এক সময় বাটিক মানেই সস্তা জবরজং কাপড় । গ্রামের মানুষ কে পড়তে দেখতাম ।শহরে যে পড়তোনা তা নয় ।পড়তো বাসায় পড়ার ড্রেস হিসেবে বা বাচ্চাকে স্কুলে আনা নেয়ার ক্ষেত্রে ।বিয়েসাদি বা কোন অনুষ্ঠানে বাটিক এর স্থান ই ছিলোনা ।

ঐ যে বললাম সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় ফ্যাশন এর । বাটিক এর ফ্যাশন ও পরিবর্তন হয়েছে ।নতুনত্ব এসেছে,ফিউশন এসেছে ।

এখন অননায়েসে বাটিক শাড়ি পড়ে যে কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় ।এবং রুচিশীলতা ব্যাক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ হয় অনেক টা ই এই দেশি শাড়িতে ।

আমি নিজেও বাটিক খুব পছন্দ করি ।শাড়ি পড়বো চিন্তা করলেই আগে দেখি বাটিকের কি আছে পড়ার মতো ।এর পিছনে কারন ও রয়েছে ।

প্রথম কারন তো অবস্যই সৌন্দর্য

দ্বিতীয় কারণ ক্যারি করতে সুবিধা +আরামদায়ক +কমফোর্টেবল 

আর সর্বশেষ কারন বাঙালি নারীর এক ক্লাসি লুক দেয় মনে হয় খুব সহজেই মানায় গঠনের সাথে ।তাই বিনা দ্বিধায় বলতে পারি আমি বাটিক প্রেমী।



https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/



শুক্রবার, ১ অক্টোবর, ২০২১

বাটিক তথ্য

                                  বাটিক


দেশীয় বাটিক নিয়ে মিডিয়ায় প্রচার বাড়াতে হবে।

আমাদের দেশের বাটিক শিল্প বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু তা সুতি টাইডাই বাটিককে ঘিরে। এমন অনেকেই আছেন যারা জানেন না বাটিক সুতি ছাড়াও অন্যান্য দামী কাপড়ে করা যায়! 

আমরা সকলেই জানি মিডিয়াতে কোন নিউজ, ছবি খুব সহজেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্যতা পায়। তাই মিডিয়া হতে পারে বাটিকের তৈরী মসলিন,হাফসিল্ক এন্ডি কটন, বলাকা সিল্ক,এন্ডি সিল্কের তৈরী পোশাক সবার কাছে পৌঁছানোর মাধ্যম। এর জন্য প্রয়োজন বেশী বেশী মিডিয়া কভারেজ। নতুন  এবং তথ্য বহুল কন্টেন্ট, ক্রেতাদের ছবি, লেখা,রিভিউ বেশী বেশী প্রকাশ করতে হবে। এর জন্য মিডিয়া কর্মীদের আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসতে হবে। 

ই-কমার্স আমাদের অনেক ধরনের সুবিধা দিয়েছে। একদম বিনা খরচে নিজেদের পণ্য নিয়ে প্রচার করার সুবিধাও পেয়ে থাকি আমরা। তাই এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশীয় বাটিক নিয়ে আরো বেশী বেশী প্রচার করতে হবে।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




Click here