পৃষ্ঠাসমূহ

বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব ৫



                               ডাংগুলি বা ফুত্তি পান্টি


ডাংগুলি খেলা বাংলাদেশের সব জায়গাতেই খুব জনপ্রিয়। দুই দলে ভাগ হয়ে এটি খেলতে হয়। সাধারণত কম বয়সী ছেলে আর কিশোরেরা ডাংগুলি খেলে থাকে। একটি দেড় হাত লম্বা লাঠি এবং এক বিঘত পরিমাণ লম্বা একটি কাঠি হলো খেলার উপকরণ। লম্বা লাঠিটিকে বলে ডান্ডা আর ছোটটিকে বলে গুলি বা ফুত্তি।


ডাংগুলি খোলা মাঠের খেলা। মাঠে ছোট্ট একটি লম্বালম্বি গর্ত করা হয়। টসের মাধ্যমে যারা দান পায়, তাদের একজন গর্তের উপর গুলি রেখে ডান্ডা মেরে তুলে সেটিকে পরের বাড়িতে দূরে ফেলার চেষ্টা করে। প্রতিপক্ষ তখন চারিদিকে ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে গুলিটি ধরে ফেলার জন্য। তারা গুলিটি মাটিতে পড়ার আগে ধরে ফেলতে পারলে ডান্ডা মারা খেলোয়ারটি আউট হয়। আর না ধরতে পারলে প্রথম খেলোয়াড়টি তার ডান্ডা গর্তের উপর রাখে এবং প্রতিপক্ষ গর্তের উপর রাখা ডান্ডা লক্ষ্য করে গুলিটি ছুঁড়ে মারে। গুলিটি ডান্ডা ছুঁলে সে দান হারায়, আর না ছুঁলে সে আবার গুলিটি ডান্ডা দিয়ে তুলে দূরে পাঠায়। পরে সে গুলি থেকে গর্ত পর্যন্ত ডান্ডা দিয়ে মাপতে থাকে।


আমি ছোট বেলায় একবার খেলতে গিয়েছিলাম আব্বা তখন খুব করে বকেছিল কারন এটা সাধারণত ছেলেরা খেলতো।তাই বকা খেয়েছিলাম এখনো মনে আছে।

https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/





মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব



                  গ্রামীন খেলা মোরগ লড়াই


গ্রামের অসাধারণ মজার একটা খেলা মোরগ লড়াই।ছেলেরাই বেশি খেলে থাকে তবে মেয়েরাও খেলে। আমি এই খেলায় একবার পুরস্কার পেয়েছিলাম প্রথম আলো বন্ধুসভার একটা আয়োজনে।তখন আমি অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়তাম। খুব মজার একটা খেলা।

মোরগ লড়াই খেলায় একদল ছেলে গোল হয়ে একপায়ে দাড়িয়ে থাকে। দুই হাত দিয়ে অপর পা পিছনে ভাজ করে রাখতে হয়। রেফারি যখন বাশিঁতে ফুঁ দেন তখনই খেলোয়াড়রা একে অপরকে ভাজ করা পা দিয়ে মারতে থাকে। কেউ পরে গেলে সে বাতিল বলে গণ্য হয়। এভাবে শেষ পর্যন্ত তিনজন থাকে। তাদের মধ্য থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় নির্ধারন করা হয়।


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/






সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল পর্ব ৩



                     গ্রামীন খেলা  দোকানপাট:


ছোটবেলায় আরেকটি মজার খেলা ছিল মুদি দোকান। লাঠি ও নারকেল কিংবা কলা গাছের পাতার ছাউনি দিয়ে বানানো হতো এ দোকান। বাবার কাছ থেকে চকলেট কেনার জমানো টাকায় পুঁজি ছিল এ ব্যবসার। পরে নানারকম মুদিপণ্য বন্ধুদের কাছে একটু বেশি দামে বিক্রি করাই ছিল এ খেলার মজা। আমাদের সময় মানে নব্ব‌ই দশকে এই খেলা টা গ্রামে খুব খেলা হতো।তখন চার আনি তবে একটা চকলেট পাওয়া যেতো।এক টাকায় চারটা।এক টাকায় ক্রিম বিস্কুট পাওয়া যেতো। এক টাকায় কেক পাওয়া যেতো। দুই টাকায় অনেক গুলো নিমকি পাওয়া যেতো। এগুলো দোকানে এনে খুব অল্প লাভে  বিক্রি করতাম।মে কয়জন টাকা ইনভেস্ট করতো তারা পরে ভাগ করে নিতাম।মুদি দোকানে হরেক রকম পন্য থাকতো।কি যে মজার খেলা ছিল। আবার যদি একবার ফিরে পাওয়া যেতো হারানো সেই শৈশব।



https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/



শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১

আরিফা মডেল



আজকে লিখবো আমাদের বগুড়া জেলার গ্রামবাংলার নব্ব‌ই দশকের বিয়ের গেট নিয়ে।

কলা গাছের গেইটি
আবহমান বাংলার লোকায়েত হারানো ঐতিহ্যসমুহের অন্যতম হলো কলাগাছের গেইট। গ্রামের বিয়ে বাড়ীতে পরম যত্নে কলাগাছ, বাঁশ ও রঙ্গীন কাগজ দিয়ে চমৎকার গেইট সাজানোর দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। অসাধারণ আগ্রহ ও কৌশলে রঙ্গীন কাগজ কেটে চমৎকার ঝালট ও বিভিন্ন প্রকার ফুল তৈরি করা হতো। আমি তখন হয়ত ক্লাস থ্রি তে পড়ি এক ফুফির বিয়েতে নিজের হাতে কলার গাছ কেটে সবাই মিলে মাটি গর্ত করে গাছটা পুঁতে দিয়েছিলাম।এরপর রঙিন কাগজ কেটে ভাতের আঠা দিয়ে দড়ির সাথে পেঁচিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত গেট তৈরি করেছিলাম।আর গেটের সামনে টেবিল রেখেছিলাম যাতে বর টাকা ছাড়া ভেতরে ঢুকতে না পারে।পরে সেই টাকা থেকে দশ টাকা ভাগে পেয়েছিলাম। খুব আনন্দের ছিল ঐ সময় গুলো। অনেকেই এই গেট নিজের চোখে দেখেনি।




শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১

                            শিক্ষনীয় গল্প


এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে একটি পানিহীন কুয়া দেখতে পেলেন।তিনি চোখ বন্ধ করে দিলেন ঝাঁপ। পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখেতা খপ করে ধরে ফেললেন। এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলেন।উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নিচে চেয়ে দেখলেন বিশাল এক সাপ তার নিচে নামার অপেক্ষায় চেয়ে আছে। বিপদের উপর আরো বিপদ হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর একটি কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে চাইছে। এমন হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন তিনি বুঝতে পারছিলেন না, তখন হঠাৎ তার সামনে কুয়ার সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক দেখতে পেলেন। তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে আঙ্গুল ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন। সেই মধুর মিষ্টতা এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু মুহূর্তেরজন্য উপরের গর্জনরত সিংহ, নিচের হাঁ করে থাকা সাপ, আর দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের কথা ভুলে গেলেন। ফলে তার বিপদ অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো। এই সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু, যে সর্বক্ষণ আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।সেই সাপটি হচ্ছে কবর। যা আমাদের অপেক্ষায় আছে। দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন, যাকে আশ্রয় করেই বেঁচে থাকা। সাদা ইঁদুর হল দিন, আর কালো ইঁদুর হল রাত, যারা প্রতিনিয়ত ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের আয়ু কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আর সেই মৌচাকহল দুনিয়া। যার সামান্য মিষ্টতা পরখ করে দেখতে গেলেও আমাদের এই চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের কথা ভুলে যাওয়াটা বাধ্য। তাই আমাদের সচেতন হওয়া জরুরী।

https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/




মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১

মানুষের রং

 

                          মানুষ সবসময় রং বদলায়


শুনেছি গিরগিটি প্রতিনিয়ত রং বদলায় যা কেবল শুনেছি কখনো প্রত্যক্ষ করিনি,,,..... মানুষের বদলোনো আমি প্রত্যক্ষ করেছি খুব করে..... কিনতু কেন....? কেন, মানুষ এত বদলায় কারনে- অকারনে...... মানুষের বদলানোটা সত্যিই অপ্রত্যাশিত সব সময়ই....... কেননা, যে মানুষটি আজ আপনার পাশে, যে দিয়েছে আপনাকে কিছু কথা, কিছু আশা, কিছু ভালবাসা দিয়েছে রাশি রাশি স্বপ্ন, যাকে পেয়ে আপনি ভাবছেন জীবন নামক বিস্তৃন পথটা অনায়সেই কাটানো যাবে, যার উপর আপনি রেখেছেন অগাধ ভরসা, অগাধ বিস্বাস, আর সেও বলেছে সে রয়েছে আপনার পাশে আমৃত্য কিনতু হুট করেই যদি কোন কারনে ঐ মাুষটি বদলে যায়.......?? ভাবছেন বদলাবে না..? ভুল, কারন প্রকৃতির নিয়ম মতে আর কিছুটা নিজের ভালোর জন্য সে বদলাবেই...... এ ক্ষেত্রে কিছু ব্যাতিক্রম আছে তাও হাতে গোনা.....

- একবার ভাবুন তো সে বদলাবে, আজকের যাকে আপনি দেখছেন, কালকে তার এমনই থাকার পসিবিলিটি খুবই নগন্য..... তার মানে সে বদলানোর পসিবিলিটি বেশি, আর তার বদলানো মানে কিছু হাসি, কিছু খুশি, কিছু আশা, কিছু স্বপ্ন এর মৃত্য, মৃত্য হবে আপনারও তবে তা অভ্যন্তরীণ যা কেউ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন না, শুরু না হতেই হবে সব শেষ...... কিনতু আজকের সেই চিরচেনা মানুষটি বদলাবে ঠিকই কিনতু বদলানোর আগে এত কিছু সে ভাববে না, জানবে না এত কিছুর মৃত্যুর কথা..... সে কিনতু প্রকৃতির নিয়ম মতই বদলে যাবে......... যেমনটা এখন প্রায়ই দেখা যায়......

- কিনতু কেন....? কেন, বদলায় আজকের চেনা মানুষটি, কেন কালকেই হয়ে যায় অচেনা.....? সে তো মানুষই, তার তো আছে বিবেক, আছে মন তবে কেন সে গিরগিটির মত রং বদলায়.........???

- মানুষ কেন বদলিয়ে নিজেকে নিচে নামাই আনে..... মানুষ কেন বদলে ভাল খোজে....

- প্রশ্ন তাই থেকেই যায়,, মানুষ কেন এত বদলায়,,, মানুষ কেন এত রং বদলায়....??


https://www.facebook.com/Jonaki-fashion-corner-103813044709268/






সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১

   

একজন সফল উদ্দ্যোক্তাকে সবাই চেনে কিন্তু তার এই অবস্থানে আসার গল্পটা হয়তো কেউই জানে না।

অনেক পরিশ্রম আর ধৈর্যের ফল সরূপ আজকের এই অবস্থান।

সফলতা কখনো একদিনে আসে না।যে কোন কাজের সফল হওয়ার জন্য চাই সুষ্ঠু পরিকল্পনা।

ক্রেতাদের সাথে একটা ভরসার সম্পর্ক তৈরি করা একান্ত আবশ্যক। ক্রেতাদের সাথে কথা বলার সম সময় অনেক সুন্দর করে আপনার পন্য প্রেজেন্ট করতে হবে। রেগে গেলে চলবে না।




Click here